মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কৌতুক

"বিবাহের জন্য মায়ের কাছে  অনুমতির জন্য আবেদনের ফরমেট"

বরাবর,
মা
বিষয়: বিয়া করিবার অনুমতি প্রদানের জন্য আবেদনপত্র।
ডিয়ার"আম্মা"
অনেক হইয়াছে এইবার আমাকে বিয়া করিবার অনুমতি দাও। তোমার কষ্ট করিয়া আমারবৌ খুঁজিতে হইবে না। আমি তোমার জন্য একটা ফুটফুটে বৌ আমদানি করিব। ২০ বছরবয়সের জন্য আর অপেক্ষা করিয়া লাইফের বারোটা বাজাতে পারব না। কোল বালিশেরসাথেও আর পিরিত করিতে পারুম না। তোমারে আর কষ্ট কইরা রান্না বান্না করালাগবোনা,তুমি যে রান্না করো ঐ কষ্ট আমার সহ্য হয়না । চাকরি খুজার মতো তোমারও বউ খুজে জুতার তলা ক্ষয় করতে হবেনা আমার আগে থেকেই মেয়ে পছন্দ করা আছে!! এমন বউ আনিব সে সব কিছু করবে ,আমার বৌ চাই!! দশটা না পাঁচটানা একটাইমাত্র বৌ চাই গো আম্মাজান।
অতএব, আমি আশা করি তুমি আমার প্রাণেরমনোবাসনা পূরণের নিমিত্তে গ্রিন সিগন্যাল প্রদান করিয়া পুত্রবধুর মুখ দর্শনকরিবার প্রত্যয় ব্যক্ত করিয়া আমাকে কুমারত্ত থেকে মুক্তি দিবা।
ইতি,
তোমার হতভাগা ছেলে বল্টু

দাঁত ছাড়া কুকুরের কামড়

একদিন পাপ্পু মুন্নাকে জিজ্ঞেস করল, তুই তো সবই জানিস। বল তো, ‘তোকে একটা কুকুর কামড়ে দিল। কিন্তু কুকুরটার কোনো দাঁত নেই। তুই তখন কী করবি?’
মুন্না বলল, ‘কী আর করব, সুঁই ছাড়া একটা সিরিঞ্জ দিয়ে ইঞ্জেকশন নিয়ে নেব!’

সংগ্রহে: হুমায়রা হাফসা, শাহ আলী বাগ, মিরপুর-১, ঢাকা।

কবে হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ?

একদিন ইতিহাস স্যার ক্লাসে ঢুকেই রবিনকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন- ‘রবিন, বল তো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে হয়েছিল?’
রবিন তো পড়াশোনা করেই না। ও কীভাবে জানবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল ১৯৪১-৪৫ সালে! ও কতোক্ষণ মাথা চুলকে নিয়ে কাচুমাচু করে বলল, ‘স্যার, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে!’

সংগ্রহে: উম্মে মাবরুরা উমামা, সিদ্ধেশ্বরী লেন, ঢাকা।

গাধা চড়ালে কী হয়?

একদিন সোনাই আর রূপাই গল্প করছিল। গল্প করতে করতে একবার সোনাই রূপাইকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আচ্ছা বল তো, যারা গরু চড়ায়, তাদেরকে কী বলে?’
- রাখাল।
- আর যারা গাধা চড়ায়?
- শিক্ষক!

সংগ্রহে: ইন্দিরা শর্মা, উত্তর দিনাজপুর, চব্বিশ

দুই মিনিটের ব্যাপার!

কয়দিন ধরে করিম সাহেবের খুব দাঁতে ব্যথা করছে। তিনি গেলেন এক দাঁতের ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার বাবু দাঁতটা একটু টিপেটুপে আলোতে নিয়ে দেখে বললেন, ‘দাঁতটা তুলে ফেলতে হবে। প্রত্যেক দাঁত তোলার জন্য তিনশ’ টাকা করে দিতে হবে।’

- করিম সাহেব বললেন, ‘কিন্তু সে তো মাত্র দুই মিনিটের ব্যাপার।’

- ‘আপনি চাইলে আমি আরো বেশি সময় নিয়ে দাঁত তুলতে পারি!’ বললেন ডাক্তার বাবু।

সংগ্রহে: মুসাইবা, আদমদিঘী, বগুড়া।

আমার দাম কতো?



দুষ্ট ছেলে একদিন মায়ের কোল ঘেঁষে আদুরে গলায় বললো, ‘মা, তোমার কাছে আমার দাম কতো? অনেক, না?’

- ‘অ-নে-ক!’

- ‘অনেক কতো? এক কোটি টাকা?’

- ‘কোটির চেয়েও অনেক বেশি। কোটি কোটি কোটির চেয়েও বেশি।’

- ‘তাহলে সেখান থেকে আমাকে দশ টাকা দাও না, একটু আইসক্রিম খাব।’

সংগ্রহে: মাঈশা মাহজাবিন খান, সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা।

কাল কত প্রকার?



হারাগাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ পরিদর্শক এসেছেন। তিনি ঘুরে-ফিরে দেখবেন, কেমন চলছে গ্রামের এই স্কুলটি। তো স্কুলে এসে তিনি প্রথমে বেশ করে কিছুক্ষণ ঘুরে ঘুরে স্কুলটি দেখলেন। তারপর সামনের বেঞ্চে বসা এক ছেলেকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা, বলো তো, কাল কতো প্রকার?

-    দুই প্রকার, সকাল আর বিকাল!

শুনে তো তিনি যারপরনাই অবাক! বলে কী ছেলে! এবার তিনি সামনে বসা এক মেয়েকে দাঁড় করিয়ে বললেন, ‘তুমি বলো, কাল কয় প্রকার?’

মেয়ে তো পরিদর্শকের হাবভাব দেখেই বুঝে গেছে, ছেলেটা কিছু ভুল বলেছে। সে একটু মাথা চুলকে বললো, ‘স্যার ছয় প্রকার। সকাল, বিকাল, গতকাল, আগামীকাল, শিশুকাল আর বৃদ্ধকাল।’

এবার তো পরিদর্শকের আক্কেল গুড়ুম অবস্থা! তিনি এবার শিক্ষকদের দিকে তাকালেন, ভাবখানা এমন- এদের কী শেখান, হ্যাঁ?

শিক্ষক তখন তাড়াতাড়ি বললেন, ‘তোমরা তো দেখি সব ভুলে বসে আছ। কেন, তোমাদেরকে পঁইপঁই করে শেখাই নি? কাল আট প্রকার, সকাল, বিকাল, গতকাল, আগামীকাল, শিশুকাল, বৃদ্ধকাল, ইহকাল আর পরকাল!’


Share with :

Facebook Twitter